পরীক্ষার চাপ আর পড়াশোনার স্ট্রেস সামলানোর উপায়
ভর্তি পরীক্ষা, ফাইনাল, রেজাল্ট, চাকরির প্রস্তুতি। বাংলাদেশে ছাত্রজীবন মানে একটার পর একটা যুদ্ধ, আর প্রতিটার সাথে জুড়ে থাকে পরিবারের প্রত্যাশার ওজন।
কিছু চাপ কাজে লাগে, ওটা পড়তে বসায়। কিন্তু চাপ যখন এত বেশি যে পড়া মাথায় ঢোকে না, তখন সেটা আর জ্বালানি না, বিষ।
চাপ কখন ক্ষতি করা শুরু করেছে
- পড়তে বসলে মনোযোগ থাকে না, একই পাতা বারবার পড়ছেন
- পড়া মনে থাকছে না, অথচ আগে থাকত
- ঘুম ভেঙে গেছে বা দুঃস্বপ্ন হচ্ছে
- খেতে ইচ্ছা করে না বা অতিরিক্ত খাচ্ছেন
- পরীক্ষার কথা ভাবলেই বুক ধড়ফড়, হাত ঘামা
- "আমাকে দিয়ে হবে না" এই চিন্তা ঘুরছে
যা আসলে কাজ করে
- ঘুম কাটবেন না। রাত জেগে পড়া সবচেয়ে বড় আত্মপ্রতারণা। ঘুমের মধ্যেই পড়া স্মৃতিতে বসে। ৬ ঘণ্টার কম ঘুমে পড়া মনে রাখার ক্ষমতা স্পষ্ট কমে যায়। রাত জেগে ২ ঘণ্টা বেশি পড়ার চেয়ে ঘুমিয়ে আগেরটুকু মনে রাখা লাভজনক।
- ছোট ব্লকে পড়ুন। টানা ৪ ঘণ্টার চেয়ে ২৫-৩০ মিনিট পড়া + ৫ মিনিট বিরতি অনেক বেশি কার্যকর। বিরতিতে ফোন না, একটু হাঁটা বা পানি।
- পড়া মানে বারবার পড়া না। বই বন্ধ করে নিজেকে প্রশ্ন করুন, বা কাউকে বুঝিয়ে বলুন। মনে করার চেষ্টাটাই স্মৃতি পাকা করে।
- তুলনা বন্ধ। "ও এত পড়ে ফেলেছে" শোনার পর আপনার প্রস্তুতি এক ফোঁটাও বদলায় না, শুধু প্যানিক বাড়ে। পরীক্ষার আগে সহপাঠীদের সাথে সিলেবাস মেলানো বন্ধ রাখুন।
- পরীক্ষার হলের প্যানিক। প্রশ্ন দেখে মাথা ফাঁকা লাগলে: কলম রাখুন, ১০ সেকেন্ড ধীরে শ্বাস, তারপর যেটা পারেন সেটা দিয়ে শুরু করুন। শুরু করলেই বাকিটা ফিরে আসে।
পরিবারের প্রত্যাশা নিয়ে
বাবা-মায়ের স্বপ্নের ভার বহন করা সহজ না, বিশেষ করে যখন মনে হয় তাদের ত্যাগের প্রতিদান দিতেই হবে। মনে রাখবেন: একটা পরীক্ষা আপনার মূল্য ঠিক করে না। খারাপ রেজাল্টের পরেও জীবনে ভালো করা মানুষের সংখ্যা অগণিত।
যদি চাপটা এমন জায়গায় যায় যে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চিন্তা আসে, এটা আর পড়াশোনার সমস্যা না। এখনই কাউকে বলুন। কান পেতে রই: ০৯৬১২-১১৯৯১১।
আর ভেতরের কথাগুলো বলার কেউ না থাকলে মনখোলায় ৬০০ টাকায় একজন সার্টিফাইড লিসেনারের সাথে টেক্সটে কথা বলা যায়, ছদ্মনামে। কেউ জানবে না।
মন খুলে বলার জায়গা খুঁজছেন?
মনখোলায় সার্টিফাইড লিসেনার বা সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের সাথে সম্পূর্ণ প্রাইভেট অনলাইন সেশন নিতে পারেন। ঘরে বসেই, নির্ধারিত সময়ে, ছদ্মনামে। ভিডিও অন করা বাধ্যতামূলক নয়।